রমজান মাসের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর (মর্যাদার রাত) রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এই রাতে ইবাদত করলে অগণিত সওয়াব লাভ করা যায়।
রমজান মাসে দান-সদকার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এই মাসে বেশি দান করতেন।
রমজান মাসের দোয়া.!
"نَوَيْتُ صَوْمَ غَدٍ عَنْ أَدَاءِ فَرْضِ شَهْرِ رَمَضَانَ هذِهِ السَّنَةِ لِلهِ تَعَالَى"
অর্থ: "আমি আগামীকাল আল্লাহ তাআলার জন্য রমজান মাসের ফরজ রোজা রাখার নিয়ত করলাম।
ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
অর্থ: "পিপাসা দূরীভূত হলো, শিরাগুলো সিক্ত হলো এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব প্রতিষ্ঠিত হলো।
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ: "হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। তাই আমাকে ক্ষমা করুন।
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
অর্থ: "হে আল্লাহ! আমাকে আপনার স্মরণ, শুকরিয়া আদায় এবং উত্তম ইবাদত করার তাওফিক দিন।
২০২৬ সালে রমজান ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ১৮ মার্চ পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল
অসুস্থ ব্যক্তি, মুসাফির, গর্ভবতী বা স্তন্যদায়ী নারী, ঋতুবতী নারী এবং বৃদ্ধরা রোজা না রাখার ছাড় পান, তবে পরবর্তীতে কাজা বা ফিদইয়া দিতে হতে পারে
না, ভুলে খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙে না, তবে মনে আসামাত্রই খাওয়া বন্ধ করতে হবে
চোখের, কানের বা নাকের ড্রপ ব্যবহার করলে রোজা ভাঙে না [৫]। এছাড়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য ইনজেকশন নিলেও রোজা ভাঙবে না
না, ভুলে খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙে না, তবে মনে আসামাত্রই খাওয়া বন্ধ করতে হবে
রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট বা মাউথওয়াশ ব্যবহার না করাই ভালো, তবে সতর্কতার সাথে ব্রাশ করলে রোজা ভাঙবে না, কিন্তু মাকরূহ হতে পারেে
তারাবীহ নামাজ ২০ রাকাত পড়া সুন্নাতে মুয়াক্কাদাে
রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে (২১, ২৩, ২৫, ২৭ বা ২৯) শবে কদর খোঁজা সুন্নাতে
ঈদুল ফিতরের নামাজের পূর্বে সামর্থ্যবান মুসলমানদের উপর মাথা পিছু যে সদকা (অর্থ বা খাদ্য) দেওয়া বাধ্যতামূলক, তাকে সদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা বলেে